প্রিয়তমাসু
-
আমি এক হতভাগ্য মৌন কবি
কবির অশ্রুতে আজ ভেসে যায় কাব্যের পাতা
কবিতা লিখতে ইচ্ছা হয় না আর।
প্রতিমূহুর্তে খসে পড়তে চায় আমার
দুর্জয় দুর্নিবার লেখনী দু’আঙুলের ফাঁকে।
তোমাকে ভেবেছি কতদিন
কত স্বপ্নগভীর তন্দ্রার ঘোরে।
দুরবীন থাকলে আজও দেখতাম
তোমার হাসিমাখা মুখখানি।
সকরুন অশ্রুপাতের ছবি এঁকে
আজ আর নতুন করে ঘরে বাঁধতে চাইনা।
তুমি যেথা নেই সেথা ভালবাসার গ্লাসে
চুমুক দিয়ে লাভ?
তাই অখ্যাত প্রেমিক কবির জীবনে
তোমার অকৃত্রিম ভালবাসা আজও
অতীতকে ফিরে পাবার স্বপ্নে বিভোর।
সুপ্রিয়া! বহুদিন দেখিনি তোমায়।
জানি না আজও পরণে তোমার
নীল বেনারসী শাড়ি আছে কি নেই?
স্নানের ঘাটে সিক্ত বসনে কলস কাঁখে
আজও পদ্মদীঘিতে দাঁড়িয়ে থাকো কিনা
জানি নে তাও। তোমাকে ওরা জোর করে
ছুঁড়ে দিয়েছে শহরের ঘৃন্য পরিবেশে।
বিদ্যুতের ফ্যাকাশে আলো যেখানে
মিট মিট করে জ্বলে।জানি তোমার বড় কষ্ট হয়,
জানি, বিদ্যুতের ঝিলিক তোমার কাছে অসহ্য।
সবুজ পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে
কেটে যায় সারাটা রাত।
রাত কেটে ভোর হয়, আমার চোখে ঘুম নেই।
তবুও লিখছি তোমাকে আজ,
যদি কোন দিন আবার ফিরে আসো
গাঁয়ের মাটিতে। প্রাণ শীতল করা
এ গাঁয়ের সবুজ ছায়ায়। তবে একবার,
শুধু একবার দেখা দিও প্রিয়া।
কবির অশ্রুতে আজ ভেসে যায় কাব্যের পাতা
কবিতা লিখতে ইচ্ছা হয় না আর।
প্রতিমূহুর্তে খসে পড়তে চায় আমার
দুর্জয় দুর্নিবার লেখনী দু’আঙুলের ফাঁকে।
তোমাকে ভেবেছি কতদিন
কত স্বপ্নগভীর তন্দ্রার ঘোরে।
দুরবীন থাকলে আজও দেখতাম
তোমার হাসিমাখা মুখখানি।
সকরুন অশ্রুপাতের ছবি এঁকে
আজ আর নতুন করে ঘরে বাঁধতে চাইনা।
তুমি যেথা নেই সেথা ভালবাসার গ্লাসে
চুমুক দিয়ে লাভ?
তাই অখ্যাত প্রেমিক কবির জীবনে
তোমার অকৃত্রিম ভালবাসা আজও
অতীতকে ফিরে পাবার স্বপ্নে বিভোর।
সুপ্রিয়া! বহুদিন দেখিনি তোমায়।
জানি না আজও পরণে তোমার
নীল বেনারসী শাড়ি আছে কি নেই?
স্নানের ঘাটে সিক্ত বসনে কলস কাঁখে
আজও পদ্মদীঘিতে দাঁড়িয়ে থাকো কিনা
জানি নে তাও। তোমাকে ওরা জোর করে
ছুঁড়ে দিয়েছে শহরের ঘৃন্য পরিবেশে।
বিদ্যুতের ফ্যাকাশে আলো যেখানে
মিট মিট করে জ্বলে।জানি তোমার বড় কষ্ট হয়,
জানি, বিদ্যুতের ঝিলিক তোমার কাছে অসহ্য।
সবুজ পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে
কেটে যায় সারাটা রাত।
রাত কেটে ভোর হয়, আমার চোখে ঘুম নেই।
তবুও লিখছি তোমাকে আজ,
যদি কোন দিন আবার ফিরে আসো
গাঁয়ের মাটিতে। প্রাণ শীতল করা
এ গাঁয়ের সবুজ ছায়ায়। তবে একবার,
শুধু একবার দেখা দিও প্রিয়া।
প্রতিবাদের কবিতা
নিপীড়িত বিশ্বের ডাকঘর থেকে
ডাকে এল সবুজ চিঠি।
রক্তাক্ষরে তাতে লেখা
ক্ষুধার্ত পরোয়ানা।
শোষিত মহাদেশের উপকণ্ঠে
ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষুধার আগুন।
রোপিত হয়েছে বিবর্ণ মৃত্যুর
বিষাক্ত বীজানু।
আর তাই…
শোষিত জনতার কংকালে কংকালে
ধূমায়িত হচ্ছে আগুন!
বিদ্রোহের বহ্নিশিখা।
আগুন জ্বলছে!
দাউ দাউ করে ক্ষুধার আগুন জ্বলছে।
এ আগুন জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে
ছাই করে দেবে কায়েমী স্বার্থের মসনদ।
এ আগুনেই জ্বলে পুড়ে মরবে
ধনিক, বনিক, নিষ্ঠুর উত্পীড়ক,
শাসক আর শোষকদের দল।
তাই আর নয়,
জাগো এবার বিদ্রোহী জনতা।
বুভুক্ষার নিষ্ঠুর কবি আমি
করি সবারে আহ্বান.
এসো বন্ধু, আমিও
তোমার সাথী। এসো সবাই
এক মুঠো ভাত
আর এক টুকরো রুটির
গনদাবীতে এসো আজ
বিদ্রোহ করি অথবা
সোচ্চার কণ্ঠে প্রতিবাদ করি।
No comments:
Post a Comment