Thursday, 27 March 2014

দুরন্ত অ্যাটম

আমি এক দুরন্ত অ্যাটম
শুধুমাত্র একটুখানি বারুদের স্তুপ
তবু বুকে আমার প্রচণ্ড শক্তি
আমি দুর্দম ,দুর্বিনীত, নৃশংস,
আমি বজ্রের চেয়েও ভয়ংকর,
আমি নিয়তির মত নির্মম আর
মৃত্যুর মতো ক্ষমাহীন।

পৃথিবীর বুকে দেখেছি
কত অগণিত শাসক শোষক
দেখেছি ক্ষুধিতের কান্না
দরিদ্রের দুঃখশোক আর
জন্মমৃত্যুর হিসাব
কালের ইতিহাসে।

মাঝে মাঝে কুত্সিত মনটা বিদ্রোহ করে
ইচ্ছে হয় নিষ্ঠুর পৃথিবীটাকে ভেঙে চুরমার করে দিই।
ফেটে চৌচির হয়ে যাক আজকের ঘুনধরা
পঙ্কিল সমাজটা। মুছে যাক ধনী দরিদ্র, দুঃখ শোক আর
জন্মমৃত্যু এই পৃথিবীর পাঠশালা থেকে।

তাই অভিশপ্ত জীবন নিয়ে
বেঁচে থাকতে চাই না।
তাই চাই আগুনের মতো হঠাত্
জ্বলে উঠে মুহুর্তে নিঃশেষ হয়ে যেতে।
পৃথিবীর কালসাপ আমি,
মর্তের দানব অথবা পৃথিবীর অভিশাপ
লাল আগুনের ফুলকি দিয়ে গড়া
দুরন্ত অ্যাটম।





Tuesday, 11 March 2014

My poem

কবিতার মৃত্যু
স্মৃতি হারিয়ে গেছে!
শীতের রাতে গোলাপ একাকী শুধু কাঁদে
অব্যক্ত যন্ত্রণার করুণ আকুতি-
অস্ফুট চিত্কারের মিঠেকড়া সংলাপ দিয়ে
কি কোন কবিতা লেখা যায়?
ভরা বসন্তে গাছের পাতাগুলো
এক এক করে সব ঝরে গেছে।
রঙিন চশমা পরলে মনে হয়
পৃথিবী সবুজ, তবে কি কবিতা
ঘুমিয়ে গেছে না মরে গেছে?
স্মৃতি হারিয়ে গেছে।
শীতের রাতে গোলাপ একাকী শুধু কাঁদে।

My Poem

আমার গ্রাম
অজয়ের দক্ষিণেতে ছোট্ট আমার গ্রাম
সেথায় জনম মোর পূণ্য পিতৃধাম।
নিবাস পাথরচুড়ে গ্রামের মাঝখানে,
ঠিকানা হিজলগড়া, জিলা বর্ধমানে।
উত্তরে অজয় ও দামোদর দক্ষিণে,
বিশাল সবুজ ক্ষেত পূরব পশ্চিমে।
ভোরের আলোয় মুক্ত নিশির শিশির
দুর্বাদলবৃন্ত হতে পড়ে ঝির ঝির।
পাঠশালে শিশু সব করয়ে পঠন
কোথাহ কুক্কুট করে উল্লাস বহন।
বাঁশি হাতে মাঠে চলে গ্রামের রাখাল
বৃক্ষচ্ছায়ে করে খেলা নিয়ে গোরু পাল।
মানস উদাস হয় পক্ষীর কুজনে
কলসী কাখে কূলবৌ চলে আনমনে।
জ্বলে দীপ আসে সন্ধ্যা নামে অন্ধকার
ক্ষণে ক্ষণে আসে ভেসে শংখের ঝংকার।
বাজয়ে কাঁসর ঘণ্টা দেবীর মন্দিরে,
সন্ধ্যাদীপ হয় শুরু প্রতি ঘরে ঘরে।
সার্থক জনম মাগো বহু ভাগ্যফলে
পেয়েছি তোমায় আমি এই পৃথ্বী তলে।