Saturday, 16 May 2015

           হরিদ্বার ও ঋষিকেশ


হরিদ্বার ঋষিকেশ পুণ্য তীর্থধাম
সপ্ত ধারায় প্রবাহিত জাহ্নবী নাম
পূণ্যতোয়া গঙ্গানদী, শীতল সমীর
ঘাটে ঘাটে জমা যত পূণ্যার্থীর ভিড়

কেহ করে গঙ্গাস্নান, কেহ পূজা করে,
কহে করে পিণ্ডদান, শ্বেতবস্ত্র পরে
জয় শ্রীশঙ্কর বলি, করে গঙ্গাস্নান,
স্নান শেষে শুদ্ধ বস্ত্র করে পরিধান

মনসা-মন্দির এক পাহাড়ের গায়,
ডুলি চড়ে আনন্দেতে, সবে তথা যায়
দিগন্তে আকাশ মিশে, দৃশ্য মনোহর,

পতিতপাবনী গঙ্গা বহে নিরন্তর


                             শুভ নববর্ষ

নববর্ষ আগমনে খুশি সবাকার,
প্রেম প্রীতি ভালবাসা, প্রীতি উপহার
নতুন সকালে রবি ছড়ায় কিরণ,
মন্দ মন্দ বহিতেছে মুক্ত সমীরণ

বৃক্ষশাখে গাহে পাখি, সুমধুর গান,
ভালবাসা বিনিময়, শুভেচ্ছা প্রদান
ফুটেছে কুসুম কত পুষ্পিত কাননে,
মধুকর আসে নিত্য মধু আহরনে

নব সাজে সুসজ্জিত সব শিশুগণ,
সুমধুর বাক্যে তারা করে আলাপন
পুষ্পে পুষ্পে সুসজ্জিত বিপণি সকল,
ক্রেতাগণে করে সদা, ভিড় অবিরল

নববর্ষের শুভেচ্ছা করিও গ্রহণ,

বাংলা কবিতার পাঠক-কবিগণ





                ছায়ায় ঘেরা আমার গাঁ

বাড়ি আমার পাথরচুড়ে, অজয় নদীর বাঁকে,
গাছের শাখায় পাখিরা সব, বাসা বেঁধে থাকে
গাছের ছায়ায়, মাটির মায়ায়, পরাণ পাগল করে,
আমের শাখে, কোকিল ডাকে, চিত্ত ওঠে ভরে

ঐ যে দূরে মাঠের পারে, কাঁটা কুলের বন,
নদীর কূলে বাঁধা নৌকা, ভুলায় নয়ন মন
দোয়েল পাখি বসে গাহে, সবুজ মাঠের আলে,
ফিঙে পাখি বেড়ায় উড়ে, গাছের ডালে ডালে

ক্লান্ত পাখিরা, বাসায় ফেরে, নামে সাঁঝের আঁধার,
ঢাকের শব্দে মেতে ওঠে গ্রাম, দীপ জ্বলে চারিধার
সাঁঝের বেলায় তুলসী তলায়, ঘরে ঘরে দীপ জ্বলে,
জোছনার রাশি, ঝরে হাসি হাসি, অজয়নদীর জলে

মিটিমিটি করে, তারারা হাসে, দূর আকাশের গায়,

রাত কেটে গিয়ে, ভোর হয়ে আসে, প্রভাতপাখিরা গায়